দ্রব্যের অবনয়ন, মূল্যের উন্নয়ন
ছোট্ট এক পিস সিংগাড়া, ভিতরে আলুর টুকরা সর্বোচ্চ দুইটা। দাম হলো ৩টাকা, কয়দিন আগে ছিলো ২টাকা। গতকাল এক দোকানে গেলাম লোড করতে, ৬৮ টাকা লোড করার পর ৫০০ টাকা দিয়েছি ভাংতির জন্য। দোকানদার দুই টাকা ভাংতি না দিয়ে বললো একটা লাভ ক্যান্ডি নিতে দুই টাকার। আমি বললাম সেন্টার ফ্রেস দিতে। কিন্তু জানলাম সেন্টার ফ্রেসও হয়ে গেছে এখন তিন টাকা। এক দোকানে দাঁড়ায় ছোলা আর বেগুনি খাইলাম ০৩ পিস। দাম দিতে গেলাম ২৫টাকা, দোকানদার বললো ছোলা ২০, বেগুনি ৩টা ৩০, মোট ৫০। ছোলা বেগুনি খেয়ে এবার বড়সড় ধাক্কা খেলাম। অথচ ছোটোবেলায় মনে আছে ১টাকায় বড়সড় একটা সিংগাড়া হতো, দুই টাকায় দুই পিস মাংসওয়ালা সিংগাড়া পেতাম, আট আনার লজেন্স এক টাকায় ঢের দুটো হয়ে যেতো। দুই টাকায় কাগজ ভর্তি চানাচুর নিয়ে বাসা দৌড়ে ফিরতাম। সবকিছুর দাম হু হু করে বাড়ছে, আর এসবের দাম শুনে আমার বুকের মধ্যে হু হু করে উঠছে, আর মানি ব্যাগে দোয়া দরূদ পড়ে ফু টু দিয়ে দেখলাম, বাড়ে কিনা! নাহ বাড়লো না...