পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০১৮ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

রাজ্জাক চাচা

ছবি
বাগেরহাটের পাশ্ববর্তী উপজেলা মোড়েলগঞ্জ থেকে প্রতি মাসে এক বৃদ্ধ সস্ত্রীক তার পেনশন উঠাতে আমার প্রাক্তন শাখায় আসতেন। লোকটি ব্যাংকে আসলে ব্যাংকের সকলেই তার সাথে অনেক মস্করা করতেন। আর লোকটির ভাষায় বরিশালের টান থাকায় সকলেই বাগেরহাটের একসেন্ট বাদ দিয়ে ঐ বরিশালের টানেই তার সংগে কথা বলতেন। আমি সকলের ছোট, এসব দেখে খুব মজা পেতাম। তো একদিন আমি সেই বৃদ্ধের পেনশন ভাউচার রেডি করে দেওয়ার সময় কিছুক্ষণ কথা বললাম। প্রতীকি রাজ্জাক চাচা আমিঃ চাচা, এতো টাকা উঠায় কি করবেন? ব্যাংকে জমা থাক। চাচাঃ মুই এই ট্যাহা জনতা ব্যাংকের থাইকা উডাইয়া জনতার ব্যাংকে রাখমু। আমিঃ জনতার ব্যাংক আবার কোনটা? চাচাঃ ঐ পানের দোহান, সিগারেটের দোহান, ঐডাই হইলো জনতার ব্যাংক। আমিঃ ওহ বুঝলাম। তা ওখানে রাখলে কি সুবিধা, ব্যাংকে থাকলে তো আরো ভালো হতো। ইন্টারেস্ট পেতেন। চাচাঃ আরে আমি কি ঐহানে এমনে এমনে রাহি, হারা মাস বইয়া আমি যেইসব ইন্টারেস্ট চাবাই, হেইডা শোধ করতে অইবে না! নাইলে পরের মাসে তো আর ইন্টারেস্ট দিবো না দোহানের বেডারা। আমিঃ হা হা। তা চাচা ওখানে টাকা রাখলে তো আর উঠাতে পারবেন না, শুধু পানই চিবাতে পারবেন। জীবনে তো আর কম পান সিগারেট চ...