দাদী
এবার ঈদে দাদাবাড়ি আর নানাবাড়ি গিয়ে ফেরার সময় অন্য রকম এক কষ্ট নিয়ে ফিরেছি। রাতে ঘুম আসছে না, হঠাৎ করে সেই কথাগুলি মনে পড়লো। যে দাদী, নানীর পরম স্নেহে শৈশব কেটেছে, সেই দাদী, নানী এবার আমাকে কোনোভাবেই চিনতে পারলো না। অবশ্য তাঁদের কসুর নয় এটা। বার্ধক্যের জাঁতাকলে পিষ্ট মানুষ দুটো নিজের গর্ভের সন্তানদেরই ঠিকভাবে চিনতে পারছে না, আর আমি তো তাঁদের সন্তানদের সন্তান। তবে আক্ষেপটা আসলে অন্য জায়গায়। বিশেষ করে আমার দাদীর কথাটা বলতেই হয়। শৈশব থেকে বড় হয়ে একদম কামাই রোজগারে পা দেওয়া পর্যন্ত দাদীকে প্রায় সময়েই কাছে পেয়েছি। ছোটবেলায় আব্বার চাকুরীর সুবাদে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আমরা থেকেছি, কিন্তু দূরত্ব যত দূরেই হোক না কেন, আমার দাদা আর দাদী নিয়মিত বিরতিতে ছুটে যেতেন আমাদের ঠিকানায়। দাদা,দাদী এলে আসলে যে কি ভালো লাগতো! আব্বা আম্মার কত মাইরের হাত থেকে পরিত্রাণ পেয়েছি দাদা দাদীর উছিলায়, তার আসলে ইয়ত্তা নেই। দাদী দাদাবাড়ী থেকে আসার সময় গ্রামের বাড়ির জাম্বুরা, পেয়ারা, সফেদা, নারিকেল, দানাদার মিষ্টি আনতেন। সেই খাবারগুলোতে মনে হয় অন্য রকমের স্বাদ ছিলো। এখনো যখন কোথাও জাম্বুরা, সফেদা খাই, মনে হয় দাদী এ...