পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

হলো না যাওয়া কুলাউড়া

মানুষ আসলে কল্পনায় পাহাড় তৈরি করে ফেললেও হয় আসলে সেটাই যেটা উপরওয়ালা চান। গতকাল সকালে হঠাৎ করে মাথায় ভূত চেপে বসলো কুলাউড়া যাবো। বহুদিন কোথাও যাই না, একটু বায়ু পাল্টানো দরকার। কিন্তু আকাশের মেঘাচ্ছন্নতা আমার ভ্রু জোড়াকে কুচাকাতে বাধ্য করলো। আমি গুগলে আজকে কুলাউড়া, মৌলভীবাজারের ওয়েদার আপডেটটা চেক করলাম, দেখলাম নবীগঞ্জ থেকে তুলনামূলক ভালো ওয়েদার সেখানে। আশান্বিত হয়ে দ্রুত গোসল করে মোটামুটি রেডি হয়ে সবকিছু গুছিয়ে নিলাম। তারপরও আরো সিউর হওয়ার জন্য কুলাউড়ার সহকারী প্রোগ্রামার সেলিম বাবু ভাইকে ফোন দিলাম কি অবস্থা আকাশের জানতে। ভাই জানালেন কিছুক্ষণ আগেই নাকি এক পশলা বৃষ্টি হয়েছে। ফোন রেখে আবারো কিছুটা চিন্তিত হলাম, এই বাদলা ওয়েদারে কি বের হওয়া উচিত হবে। বাইরে বারংবার চোখ দিচ্ছি, একবার দেখি গুড়ি গুড়ি, আবার দেখি নেই। এই চলছে। বেরুবো কি বেরুবো না এই দোটানায় অনেক ক্ষণ থেকে একটা ডিসিশনে এলাম, না বের হবো। রেইনকোটটা সাথে করে নিয়ে নিলাম, যেন পথে বৃষ্টির বাগড়া বেশি হলে পরে নিবো। যাক সব কিছু নিয়ে গোছগাছ করে বেরিয়ে পড়লাম ০৯:৩০ নাগাদ। নিচে নেমে বাইকটা বের করে নিয়ে আগে দ্রুতই গ্যারেজ থেকে চাকায় হাওয়া ভরে ...

পণ্ডশ্রম

ছবি
গতকাল এইচএসসি পরীক্ষার ডিউটি শেষ করে কেন্দ্র থেকে উপজেলায় ফেরার নতুন পথ খুজে বের করার টার্গেট নিয়ে গাড়ি হাকিয়ে ফেললাম। কেন্দ্রের প্রিন্সিপাল মহোদয়ের পরামর্শ মোতাবেক গাড়ি হাকিয়ে চলতে থাকলাম। গাড়ি আগাতে আগাতে প্রথম পয়েন্ট বান্দের বাজার এ বিনা প্রতিবন্ধকতায় এসে পড়লাম। প্রিন্সিপাল মহোদয় বলেছিলেন, রাস্তাই আপনারে নবীগঞ্জ নিয়া যাইবো। তাই আমিও রাস্তার ডান বাম না দেখে সোজাই এগিয়ে চললাম। কিছুদূর এগুতে একদম সোজা পাকা রাস্তা দেখে মন আমার উড়ু উড়ু, তাই বাইকের এক্সিলারেটরেও একটু জোর দিলাম। দুপাশে খোলা মাঠ, আকাশে হালকা মেঘ, রাস্তার দুধারে হাওড়, জলাশয়। আর রাস্তা একদম ফার্স্ট ক্লাস। সব মিলিয়ে বাইকারের জন্য স্বর্গ পরিবেশ। মহানন্দে গাড়ি টেনে চলতে চলতে প্রথম সম্বিত ফিরলো রাস্তার বাঁ পাশে দূরত্ব লেখার মাইলফলক দেখে। দেখলাম, সুনামগঞ্জ ৪৫ কিমি, শান্তিগঞ্জ ২৩ কিমি। দেখেই অশান্তি শুরু হয়ে গেলো। তবে বিচলিত না হয়ে এগুতে থাকলাম, ভাবলাম হয়তো ডানে বাঁয়ে কোনো রাস্তা আমাকে নবীগঞ্জ নিয়ে যাবে। যেতে থাকলাম। এবার আরো সামনে এগিয়ে বুঝলাম," বাইক, তুমি পথ হারাইয়াছো!" কপালকুণ্ডলার মতো কপালে হাত দিয়ে দেখলাম, আমি নবীগঞ্...

ইউটিউব প্রিমিয়াম এখন বাংলাদেশে

ছবি
  বাংলাদেশের ইউটিউব ব্যবহারকারীদের জন্য চালু হলো "ইউটিউব প্রিমিয়াম"। ইউটিউব বাংলাদেশের পার্টনার ম্যানেজার আবু সালেহ জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ৩ আগস্ট,২০২৩ থেকে বাংলাদেশী ইউটিউব ব্যবহারকারীদের জন্য ইউটিউব প্রিমিয়াম অবমুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশের গ্রাহকরা এখন থেকে ইউটিউব প্রিমিয়াম ও ইউটিউব মিউজিক ব্যবহার করতে পারবেন। তবে বিজ্ঞাপনমুক্ত ইউটিউব ভিডিও দেখতে হলে ব্যবহারকারীদেরকে সেটি বিভিন্ন প্যাকেজ অনুসারে ক্রয় করে নিতে হবে। ইউটিউব প্রিমিয়ামটি প্রথম মাসে ফ্রি টায়াল হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। এরপর থেকে ব্যবহারের জন্য প্রতিমাসে দিতে হবে ২৩৯ টাকা। কেন ইউটিউব প্রিমিয়ামঃ ইউটিউবে মূলত আমরা ফ্রী-তেই কোনো ভিডিও দেখতে পারি সহজেই, কিন্তু বিড়ম্বনার কারণ হয়ে দাঁড়ায় নির্দিষ্ট সময় পর পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে সামনে চলে আসা কিছু বিজ্ঞাপন। এই বিজ্ঞাপনগুলিই মূলত ইউটিউবের আয়ের উৎস। আর এই বিজ্ঞাপন বা এডভার্টাইজমেন্ট মুক্ত ভিডিও দেখার সুবিধা নিয়ে ২০১৪ সালে বাজারে আসে ইউটিউব প্রিমিয়াম। শুধু তাই নয়, আরো যা যা সুবিধা থাকছে ইউটিউবে প্রিমিয়ামে... *** বিজ্ঞাপনমুক্ত ভিডিও *** ভিডিও ডাউনলোড সুবিধা *** ব্য...